Skip to main content

Posts

হায় খেলাঘর !

সুরক্ষিত ত্বক বিজ্ঞাপনী ভাষা
রমণীয় ছলাকলা
আবেশ আভরণহীন
তবুও দেবী
আমাদের
উর্বশী রম্ভা কেতকী
গ্ল্যামার উপচানো রস
গড়ায় টপাটপ
হাসছি-কাঁদছি সবাই আড়ালে-
আঁধারে, আগামীর কাঁচুলি
খসে পড়ে বসন
নির্জন রাত্রি
বিছানায় একাকী
রমনে মন্থন
ফড়িং এর মৈথুন
দেশ কাল জাতপাত
ভেদাভেদ শূন্য
আগামীর ইতিহাসে
লিপিকার নগন্য
যাবেনা মুছে
কলঙ্ক যে হায়!
Recent posts

উত্তর-দক্ষিণ-পূব-পশ্চিম

লেখাটি এই পাতায় দিলাম। অনুরোধ আছে বড় করে লেখার মানে আরোও বিস্তারিত। কাজেই বড় একটি ভার্সান নিশ্চিত আসবে পরে।  আপাতত এতেই আমরা খুশি থাকি...
নানানসময়নানানসাধুরসাথেযোগাযোগহয়েছে, কেউভালকেউঅতিভাল, কেউবাস্বঘোষিতযোগীআবারকেউভোগী।সবাইঈশ্বরেরদ্বিতীয়অবতার।প্রথমটঅবতারটিকেকেউজানেনা।সময়েরপথেপাবাড়িয়েনানানসাধুনানানমতদিয়েছেন।তারইমধ্যেবিশেষএকমানুষেরসাথেআলাপজীবনবদলেদেয়তাসেভালবামন্দযাইহোকনাকেন।সংসারেদুইপ্রকারেরমানুষআছেন - কেউসবকিছুইনিজেকরছেন, অন্যদলআছেনযেখানেসবঈশ্বরকরছেন।কেউবলেনরামনামেভগবৎপ্রাপ্তিকেউবাকৃষ্ণে।একটুপাবাড়ালেআবারআরেকদল,রামকৃষ্ণে।
ভারতবর্ষেরআকাশে-বাতাসেদীর্ঘদিনভাসছেবহুবিধশব্দমালা।বিশ্বাসেমিলায়বস্তুতর্কেবহুদূর।যেসহেসেরহে।জীবদিয়েছেনযিনিখাদ্যযোগানতিনি।এইসবআরকি।এইশব্দমালারসত্যতাকিছুমাত্রনাথাকলেএতদিনটিকতনা।কাজেইধরেনিতেইহয়এগুলিরমধ্যেসত্যেরপরশআছেইআছে।কিছুদিনআগেএকপ্রথিতযশালেখক, ফিলান্থ্রপিস্টপাথেকেমাথাঅবধিভালমানুষের

আমি বাড়ি ফিরবো

নির্জনতায় বাতাস আসে যায়
একাল বদলে ওকালে
সময় পালটে অসময়ে
ভোর জমাট বাঁধে সকাল বাড়ে
বিকেল অনেকদূর রাত্রি আলোতে মত্ত
বাতাস বয়ে চলে এক থেকে দুই
দুই হতে তিন - যাযাবর
অনু পরমানুর কাহিনী লুকোনো আস্তিনে
যেমন আধার সেইমত প্রাপ্তি
ভাঁড়ার শূন্য না রাখে কখনো
তবুও পাহাড়িয়া থমকে
চূড়োয় বাতাস আসেনি এখনো
একলা সে অপেক্ষায়
অনন্তশয্যার প্রাক্কালে
স্থিতধী ডাক পাড়ে - হে অগ্নি
বাতাসকে বইতে দিও
জলকে প্রাণ দিও
ধরিত্রিকে অস্থিচর্মসার
আকাশ তুমিও আসবে আমি বাড়ি ফিরবো।

দুই কবিতা

কমন-ইজমের ইতিকথা

রাস্তায় পাখীটা বসেছিল
সকালের রাস্তা সল্পব্যস্ত শহর
তবুও নাজানি হুড়মুড়িয়ে বাইক এসে
চিংপাত করে গেল.....
মূহূর্তে জটলা, মানুষের নয় পাখীদের
কাক চড়ুই সাথে একটা বসন্তের কোকিলও,
আকাশের তীব্র শব্দে মানুষ থমকেছে
জনগন দেখছে
তাহলে জোটবদ্ধ পাখীরাও থামিয়ে দিতে পারে!
অলীক ভাবছে শুধুই ভাবছে
মানুষ পাখী কুকুর বিড়াল সক্কলকে
জুড়ে ভাবছে
কমন-ইজমের ইতিকথা।




ঘড়ির আত্মকথন


দালানের ওপর ঘড়িটা নি:সাড়ে
শব্দে সময়কে বাঁধে
ঘোরে অবিরাম শূন্য থেকে শূন্যে
দেওয়ালের ইতিহাস সাক্ষী
ক্ষতচিহ্ন ঢাকা বিকেলের
টুপ-টুপ ছড়িয়ে দেয় অজান্তেই
অশরীরী রক্তফোঁটা
অবিরাম লাল থেকে লালে
নিস্তেজ নিস্তরঙ্গ নিবিড় নির্মম সময়
পা কাঁপে আবেশে থরথর
মৃত্যুর অনাঘ্রাত আলিঙ্গনে
ঘড়িটা চলছে তথাপি অবিরাম
শতাব্দী গড়িয়ে সহস্রাব্দে
অবিচল
ঝুলবারান্দার না-বলা কথা
নৈশব্দ ঘেরা দুপুর
বিকেলের তানপুরা,
রাত্তিরের লুকোনো মজলিস
ইঁট কাঠ চুন সুরকির
অবিরাম ঘোষণা বারংবার
অবৈধ অনৈতিক অশালীন
ছি: ছি: ছি:
তথাপি ঘড়ির টিক টিক টিক....
বারিধারা বাদলঘেরা বর্ষামুখর রাত
সহস্র ধ্বনির বন্যা
ঝুরঝুর টুপটুপ ঝিরঝির - সাথে
ঘড়িটার অবিরাম টিক টিক ঢংঢং
ঝুল বারান্দার দেওয়াল ঘড়ি
এখনোও সময় বাঁধে শূন্য থেকে শূন্যে
ফির…