এনজিও গিরি


শুনতে খুব খারাপ লাগে যদি কোনোও নিষ্ঠাবান কর্মীকে কু-কথা শুনতে হয়।  হ্যাঁ, আমার এক বন্ধু নাম উল্লেখ না করেই বলি বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংস্থার সাথে যুক্ত, আমরা বলে থাকি এনজিও।  কখনও বা পারিশ্রমিক নিয়ে কখনও বা বিনা পারিশ্রমিকে।

এদেশে এই ধরনের অনেক সংস্থা কখনও শুরু হয় কালোকে সাদা করার কারনে, অথবা নিষ্ঠার সাথে সমাজের কিছু শ্রেণীর কাছে সাহায্যের হাত বাড়াতে।  বন্ধুকে যতটুকু জেনেছি-চিনেছি কালোকে সাদা করার পয়সা বা মানসিকতা দুটোর কোনোটাই নেই। 

নিতান্তই সাদামাটা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অসাধারন মানসিকতার মানুষ যাঁরা ভন্ডামি বা ভাবের ঘরে চুরি করতে পারে না বন্ধু সেই শ্রেণীর।  তারই সাথে ফোনে কথা হচ্ছিল, খুবই সাধারন কথা, তারই মাঝে শুনলাম কোনোও এক সরকারী আধিকারিক বলেছেন, আমাকে এনজিও গিরি শেখাবেন না।  

বন্ধুর অপরাধ সে কিছু স্ট্রিট-চিল্ড্রেণ বা মানুষের কথা সাধারন মানুষ হিসাবেই যা বলা যায় তা বলতে গিয়েছিল সরকারি বাবুর কাছে।  উদ্দেশ্য অতিসাধারন - যদি কিছু সাহায্য করা যায় সরকারি অনেক ধরনের কাজের ব্যাবস্থার মাঝ দিয়ে যথা ঝাড়ুদারের কন্ট্রাক্টারের আন্ডারে বা অন্য কোনোওভাবে।  আমি জানি না ঠিক কি প্রস্তাব রাখতে গিয়ে ঐ সরকারি আধিকারিকের মুখ থেকে ঐ কথা প্রাপ্তি হতে পারে!  এনজিও গিরি!! এযেন দাদাগিরির সামিল!!!

মানুষের চেতনা, বিবেক এইগুলির পরিবর্তন না করে খাবার ব্যাবস্থা করা নিশ্চিত ভাল।  খাওয়া-থাকার ব্যাবস্থার কোনোও বিনিময় হয় না।

তাই বলি বন্ধু নিজের বলার শক্তিটা সঞ্চার করে দাও অন্যের চিন্তায় চেতনায়, বাকিটা অটোম্যাটিক।  তুমি আমি সকলেই বড়ই ছোটো এই অটোম্যাটিক ব্যাবস্থার কাছে।       
Post a Comment

Popular Posts