সাথে থাকবেন, নইলে পিছিয়ে পড়বেন - ৪

চতুর্থ পর্ব

খোলা চিঠি !


ভোঁদু ও চাঁদু দুটোই জেদী ও একরোখা। কম্প্রমাইজ শব্দটা দুজনের অভিধানেই নেই। ভোঁদু ছাতু-জল খেয়ে শিখেছে বিদ্যেটা আর চাঁদু সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ও নিজের যোগ্যতায়। দুজনেই দরদ দিয়ে শিখেছে। চাঁদুর ডিপ্লোমা ফিল্মটাও নাকি বেশ (শোনা কথা)। সেই চাঁদুর শেষ কাজ। আর চাঁদু কাজ করেন নি। কারণ তিনিই জানেন। আর ভোঁদু তো ভোঁদার হদ্দ। সে কেন যে কিছু করতে চায়না সেই জানে। আসলে মনে হয়েছে - কম্প্রোমাইজ না করার গুন দুজনকেই ছবিবাবু হতে বাধা দিয়েছে। মিল এটা ভীষণ।
আর গেল কান্নার কথা - ভোঁদু কাঁদেন নিশ্চিত, তবে চাঁদুও কম যান না। সেটা ভেঙে বলতে হবে কি?
তাই বলি যদি ইচ্ছে থাকে তো নিজের কান্না মুছে ভোঁদুর দিকে পা বাড়ালে ভাল হয়। অন্তত ভোঁদু একটা আনকম্প্রোমাইজড মানুষ সাথে পায়। যদি সম্ভব হয় তো একা। ভোঁদুও ঐ শহরে একা গেছিল।
গরু-গাধাও শুয়ে-বসে আরোও কত কি করে কাজ বাগিয়ে নেয়। তাদের সাথে তো আর চাঁদুর তুলনা চলে না।
দালালদের ইউটিউব কপি মারা মালগুলোর থেকে শিশুগুলো অন্তত বাঁচুক। এরা নাকি নিশ জিনিস বানান।


ইতি

মহাপন্ডিত



এবার আসি ভোঁদুর একটি প্রিয় লাইনে - "ওপরে অক্সিজেন নিচে কার্বন ডাই অক্সাইড"
ভোঁদু মানেটা করেছে ভাল - ওপরের ছাদে মাঠ-বাগান আর নিচের বেসমেন্ট কর্পোরেশান যেন দেখেও দেখেন না।
বাকি দুনিয়ার জন্য এক আইন আর অসামান্য স্থাপত্যের জন্য আরেক আইন। ধন্য বড় ভোঁদুর জাদু!


এবার আসব। বাকিটুকু আবার পরে।


মহাপন্ডিত।


ভোঁদুর এই চরিত্রগুলি সবই কাল্পনিক তার কারণ ভোঁদু শুধুই কল্পনার জগতে বাস করেন। এই যেমন ভোঁদুর ইচ্ছে জেগেছে চাঁদুকে একটা চিঠি লেখা হোক।
Post a Comment

Popular Posts