জয় পানুর জয়

অনেক কিছুই পারিনা তা মানতে পারি না আমরা, অথচ সময়-সময় মানতে অসুবিধেও হয় না। এই যেমন পানুর কথা ধরা যাক। তার অনেক ইগো আছে - জ্ঞানের ইগো, অজ্ঞানের ইগো, প্রিটেনশানের ইগো, শিল্পীর ইগো, বুড়োর ইগো, বাচ্ছার ইগো। একেক সময় মনে হয় ওটা ইগো নয়…ই-গু অর্থে ইলাবোরেটেড গু। ছড়িয়ে ছিটিয়ে একাকার!
কখন মাখে, কখন ঘাঁটে বোঝা দায়। শেষে মাখামাখি হয়ে গন্ধ ছড়ালে পাড়া ভাসালে পানুর বোধদয় হয়।
প্রানের তাগিদে লেখা কি জিনিস পানু অনেক পরে বুঝেছে। লেখার শুরু নাম-ধাম-যশ-প্রতিপত্তি বাড়ানোর তাগিদে। শেষে সব কিছুতেই ব্যার্থতার স্বাদ নিয়ে সন্ন্যাস নেবার সাধ জাগে। সকলেরই হয়। পানু বলে - পানুর হনু হবার ইচ্ছে। হনু হতে গিয়ে কখন পানু হনুমান হয়ে যায় টেরও পায় না। টের পেলেও কিছু করার নেই, কারন যা হবার তা হবেই এ-কথাটা পানু তার গুরু মস্ত বড় পানুর কাছ থেকে শুনে বিশ্বাস করে ফেলেছিল।
আজ পানু বড় হয়েছে, অর্থে সঠিক জ্ঞান-আলো প্রাপ্ত হয়েছেন। নাম-ধাম-যশ ছাড়িয়ে বাচ্চাদের সাথে সময় কাটাতে গিয়ে বোঝে তার বাল্য বয়সের প্রথম প্রেমিকার বলা লাইন - জীবনটা ছোটো-খাটো করে কাটাতে হয়।
এখন পানু একটু বড়, তবুও ইগো কেটেও কাটে না। মুখ বন্ধ হয়েও হয় না। অকথা-কূকথা না বলি-বলি করেও বলা হয়ে যায়। শেষ পরিনতি সোশাল মিডিয়া সাইটে ফোটো-গান-কবিতা আপলোড! তাতেই প্রচারের ছটায় মূহ্যমান হন পানু।
আর সবাই বলে - জয় পানুর জয় !
চুপিচুপি একটা কথা বলে রাখি - পানু কিন্তু আমি-আপনি সকলের ভেতরে কমবেশি অল্পবিস্তর লুকিয়ে-চুরিয়ে দেখতে পাওয়া যায়। আপনি তার বাইরে হলে চরম ভাগ্যবান।
Post a Comment

Popular Posts