হোয়াট্স অ্যাপ সাহিত্য

একলা ঘর

জীবরহস্য বড়ই গোলের, কে যে কখন গোল দিয়ে যায় না খেলে জানা যায় না। আর একবার খেলে ভোলা বাবারে স্মরণ ছাড়া গতি থাকেনা। একটা প্রশ্ন জাগত মনে - দরকারে অদরকারে সকলে মন্দিরে যায় কেন। নিজে গিয়ে বুঝলাম জলই জীবন তাই জল ঢেলে জীবন-যাতনার রহস্য থেকে সহজে নিস্তার পাওয়ায় উদ্দেশ্য।  অবশ্য বোঝার আরোও অনেক উপায় ছিল ছেলেবেলায় গুলিডাণ্ডা পিট্ট - লাট্টু খেলতে গিয়ে বুঝি ডিফেন্স-এর দাম বেশি। সেই রোগ বুড়ো বয়সেও কাটেনি তাই আর গোল দেওয়া হলোনা, শুধুই গোল বাঁচিয়ে গেলাম। বাবা বললে দেখে, মা বলল খোকা সাবধানে। সেই সাবধানতার যাবর আজীবন কেটে চলেছি, আমি সাধারণ মানুষ।                                                                                                          সময় বদলেছে, গরমের ছুটিতে তখন কচি আম। ভরদুপুরে লুকিয়ে খেলা, ধরা পড়লে মা'র ব্ল্যাকমেলিং বাবাকে বলে দেব, আরো বেশি দস্যিপনা করলে, নাহ থাক! ভাবি সময় বদলাচ্ছে, এখন সামার ক্যাম্প আছে, আছে আরও কতকিছু, কিন্ত নাহ ভাই-বোনের ঝগড়া নেই। পাড়া বেড়ানোও নেই। তবে আছে কিছু বলতে যা বাধা নেই - একলা ঘর আছে।

অনন্ত জীবন 

ভোরের ময়দান নি:শব্দে কথা বলে। বলে নেচে কুদে আড়ালে-আবডালে মন ভাল করা কথা। নাজানি কজন তার কথা শোনে। সকলে ব্যস্ত হন্টনে নতুবা নাক-কান টেপাটেপিতে। জীবনের গতি নীরবে দূরে সরিয়ে রাখে প্রকৃতির সহজ সরল বহিঃপ্রকাশ থেকে কারন সে সহজিয়া ভাবটিতেই স্থিরত্ব পেয়েছে। একটি পাতা ছোট্ট একটি জংলি ফুল কিংবা ফুরফুরে বাতাসে প্রাণবায়ু লুকোচুরি খেলে। এমনকি মর্নিং বার্ড সবুজের মাঝে ডাক পাড়ে - ওরে তোরা আয়, একটু দাড়া।  কিন্তু সময় কই!  আমি আপনি সকলেই ছুটছি প্রতিটি শ্বাসে প্রতিটি রক্তকণা সাথে করে আর দূরে সরছি ক্রমাগত অনন্ত জীবন থেকে।

Popular Posts